ভেদেরগঞ্জ উপজেলার রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর শাহিনুর আক্তারের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ভেদরগঞ্জ উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর শাহিনুর আক্তারের বিরুদ্ধে বিষয়ভিত্তিক ইংরেজি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোেগ পাওয়া গেছে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর শাহিনুর আক্তার প্রশিক্ষণার্থীদের ন্যায্য পাওনা প্রদান না করে নিজে তা আত্মসাৎ করেন।

৩০ জন প্রশিক্ষণার্থীর দৈনিক ভাতা ৫০০ টাকা,৷  দৈনিক খাবার ভাতা বাবদ ২৮০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও তিনি ২ বেলা নাস্তা বাবদ ৮০ টাকা করে ৬ দিনে ৪৮০ টাকা কেটে রাখেন। দৈনিক ৮০ টাকার নাস্তা বরাদ্দ থাকলেও তিনি এক কাপ চা ও ৫ টাকার এক প্যাকেট বিস্কুট/‌কেক দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাদ করেন। শে‌ষের দিন বি‌কে‌লের শেষ‌নের নাস্তা ক‌খোনই দেন নাই।  

সর্বসাকুল্যে জনপ্রতি প্রশিক্ষণার্থীর জন্য ৬০৯৬ টাকা বরাদ্দ থাকলেও তা ৫৬০০ টাকা প্রদান করে বাকিটা আত্মসাৎ করে নেন শাহিনুর আক্তার।

এ প্রসঙ্গে নারায়নপুর ১৩৬নং সূর্যমনি হাবিবুর রহমান তালুকদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামিমা আক্তার বলেন, রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর শাহিনুর আক্তার সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে আমাদের পাওনা টাকা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। নীতিমালায় একই অর্থ বছরে দুইবার প্রশিক্ষণের সুযোগ না থাকলেও শাহিনুর আক্তারের ইচ্ছায় একাধিক শিক্ষক দুইবার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। সকল অসম্ভবকে সম্ভব করে বহাল তবিয়তে থাকা শাহিনুর আক্তারের অপসারণ দাবি করেছেন শিক্ষক শামিমা আক্তার।

এ বিষয়ে ১ জুলাই ২০২৪ শরীয়তপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর ৪৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা স্বাক্ষর সম্মিলিত একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগ সম্পর্কে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: নুরুল হাসানকে একাধিক বার মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো কল রিসিভ করেননি।

এ প্রসঙ্গে জেলা মনিটরিং কর্মকর্তা ড. রবিউল ইসলাম এর সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপ করলে তিনি বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য তার কার্যালয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন।

বিষয়টি সম্পর্কে অভিযুক্ত শাহিনুর আক্তারের সঙ্গে একাধিক যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে বারবার কল দিলেও সে কোনো কল রিসিভ করেননি।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত

Posted on